
বিজ্ঞান ডেস্ক: বর্তমান সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আগে অনেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবটের সাহায্য নিচ্ছেন। অসুস্থতা বোধ করলেই ঘরে বসে মানুষ এআইকে রোগের লক্ষণ জানাচ্ছে, প্রেসক্রিপশন পড়িয়ে নিচ্ছে কিংবা মেডিকেল রিপোর্ট বিশ্লেষণ করাচ্ছে। এআইয়ের সাবলীল ও ধৈর্যশীল উত্তরদানের ক্ষমতার কারণে অনেকেই চিকিৎসকের বিকল্প হিসেবে এর ওপর অতিমাত্রায় ভরসা করতে শুরু করেছেন।
তবে সুন্দর ভাষায় উত্তর দেওয়া আর নিখুঁত রোগ নির্ণয় করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। চিকিৎসকরা রোগীর শারীরিক পরীক্ষা করেন, বিস্তারিত ইতিহাস শোনেন এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে সিদ্ধান্ত নেন। শুধু কিছু উপসর্গ লিখে দিলে এআইয়ের পক্ষে সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা অসম্ভব। বিশেষ করে বুকে ব্যথার মতো জটিল লক্ষণের ক্ষেত্রে এআইয়ের অতি আত্মবিশ্বাসী উত্তর রোগীর জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।
সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে এআইয়ের কিছু ভালো দিক দেখা গেলেও বাস্তব ক্ষেত্রে এর উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতাও প্রকাশ পেয়েছে। গবেষকরা দেখেছেন, এআই ব্যবহারকারীরা প্রচলিত তথ্য বা নিজেদের বিচারবুদ্ধির ওপর নির্ভরশীলদের তুলনায় সবসময় ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। সুতরাং, চিকিৎসকের বিকল্প হিসেবে এআইয়ের ওপর পূর্ণ নির্ভরতা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।